Showing posts with label মহিলা-স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label মহিলা-স্বাস্থ্য. Show all posts

Friday, May 6, 2016

সমস্যাটি একান্তই কিশোরীর

BD Health Tips
BD Health Tips

বয়ঃসন্ধিতে
একজন কিশোরীর শরীর and মনে ঘটে যায় নানা পরিবর্তন। এর মধ্যে অন্যতম হলো মেনার্ক বা মাসিকের সূত্রপাত। এ সময় এই বয়সে 5-10 শতাংশ কিশোরী মাসিকের সময় তলপেটে অসহ্য ব্যথার অভিযোগ করে থাকে। কেউ কেউ স্কুল or কাজকর্ম ছেড়ে প্রায় শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে। মাসিক শুরুর প্রথম one-twoবছরে এ সমস্যা সবচেয়ে প্রকট থাকে।
মাসিকের সময় জরায়ুর পেশির অস্বাভাবিক সংকোচন এই ব্যথার জন্য দায়ী।
ব্যথা N আনুষঙ্গিক উপসর্গ
কিশোরীরা মাসিক শুরু হওয়ার কয়েক hours আগে থেকে তলপেটে ব্যথা, যা কোমর and ঊরুর ওপর অংশে ছড়ায়, সঙ্গে বমি ভাব, অরুচি, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, খিটখিটে মেজাজ ইত্যাদিতে আক্রান্ত হয়। কারও 1-2 দিনের ডায়রিয়াও হতে পারে। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা and মানসিক চাপ, যেমন আসন্ন পরীক্ষা, ভ্রমণ ইত্যাদি এই উপসর্গ বাড়িয়ে দেয়।
দুশ্চিন্তার কিছু নেই
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো বিষয়টি সম্পর্কে দুশ্চিন্তা ও আতঙ্ক কমে যেতে থাকে এবং বেশির ভাগ উপসর্গ কমে আসে। এ ছাড়া সন্তান প্রসবের পর জরায়ুমুখ প্রসারিত হলেও ব্যথা চলে যায়। এ সমস্যার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার তেমন কোনো প্রয়োজন নেই। চিকিৎসার প্রথম ধাপ হলো বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নেওয়া and দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা। পুষ্টিকর খাবার and প্রচুর তরল খাবার দিন এ সময়। স্বাভাবিক কাজকর্মে উৎসাহ দিন। তবে ব্যথা প্রচণ্ড and দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

ডা. উম্মে রুমান

সহ বাসের সময় নারীর তৃপ্তি লাভের ১০টি লক্ষণ

BD Health Tips
BD Health Tips

সহ বাসের সময় নারী তৃপ্তি লাভের লক্ষণ অনেকে আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন। তাদের জন্য লক্ষণ গুলো দেয় হল। BD Health Tips

সহ বাসের সময় নারীর তৃপ্তি লাভের 10 টি লক্ষণ :
  1. নারী শরীর নুইয়ে পড়ে ।
  2. নারীর সারাটা শরীর যেন অবসান নেমে আসে ।
  3. দ্রুত হৃদস্পন্দন হতে থাকে ।
  4. আবেশে চোখ বুজে থাকে ।
  5. নারীর যোনি থেকে রসস্রাব ক্রমাগত নির্গত হয় ।
  6. নারীর সারা শরীর পুনঃপুনঃ শিহরণ হতে থাকে ।
  7. ধীরে ধীরে গোঁ গোঁ বা প্রাণীর অনুরূপ শব্দ বের হতে পারে ।
  8. সে পুরুষকে জোর করে বুকে চেপে ধরে রাখতে পারে ।
  9. সারা শরীর কাঁপা দিয়ে উঠতে পারে ।
  10. সব শেষে অনেকে জোরে জোরে হাসে আবার অনেকে মুচকি হাসি দিতে দিতে চোখ বুজে ঘুমিয়ে পড়ে।

যেভাবে খুব সহজে নারীকে অর্গাজম এর স্বাদ দেবেন

BD Health Tips
BD Health Tips

খুব সহজে নারীকে অর্গাজম এর স্বাদ দেবেন । দুই গবেষকের মতে, আধুনিক যৌন বিষয়ক টেক্স বইগুলোতে ভ্রূণতত্ত্ব, শারীরতত্ত্ব and মনোবিজ্ঞানের বহু বিষয়কে এড়িয়ে চলা হয়। বিগত 15 বছর ধরে নারীর যৌনাঙ্গের কথা বলতে গিয়ে ‘ইনার ক্লিটোরিস’-এর কথা বলা হচ্ছে। But কোনো বইয়ে এর বিস্তারিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। অথচ এই জিনিসের কোনো অস্তিত্ব নেই। কারণ পুরো ক্লিটোরিস বাইরের একটি প্রত্যঙ্গ, ঠিক পুরুষের যৌনাঙ্গের মতো। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে তার অবস্থান বাইরের দিকে নয়, বলেন ভিন্সেনজো।
ড. জিওলিয়া বলেন, আবার অনেক সময়ই যৌন বিশেষজ্ঞরা ‘ক্লিটোরাস ভাল্ব’ বলে এই প্রত্যঙ্গকে নির্দেশ করেন। But একে বলা উচিত ‘ভাস্টিবুলার বাল্বস’। যৌনকর্মের সময় নারীদের ওই অংশটি উত্তেজিত হয়ে ওঠে যাকে ‘ক্লিটোরাস কমপ্লেক্স’ বলা হয়। অথচ একে ‘ফিমেল পেনিস’ বলাটাই শ্রেয়।
নারীকে পুরুষের চাইতে আরো যে বিষটি স্বতস্ফূর্তভাবে পৃথক করেছে ,তা হলো নারীর যৌনাঙ্গ ,তথা যোনি । পুরুষের লিঙ্গ বহিঃমুখী অথচ নারীর যৌন লিঙ্গ নেই , তবে নারীর যৌনাঙ্গ হিসেবে রয়েছে যোনি । এই যোনির মাধ্যমেই নারী পুরুষের সাথে যৌন মিলনে মিশে যায়। যোনি যৌন উত্তেজনার সময় পিচ্ছিল হয়ে উঠে। কেননা যৌন উত্তেজনার সময় নারীর যৌনাঙ্গ থেকে তরলের রস হতে থাকে ।
রাগমোচন or অর্গাজম কি ? এইটি কি ভাবে হয়ে থাকে?
যৌনতার প্রতিক্রিয়া চক্র কালে সঞ্চিত যৌন উত্তেজনার হঠাৎ স্রাব হওয়া ফলস্বরূপ যৌনতার পরিতোষ বৈশিষ্ট শ্রোণী অঞ্চলের ছন্দোময় পেশীবহুল সংকোচন ঘটে থাকে।
অর্থাৎ যৌনসঙ্গমের শেষ পরিণতি চরমানন্দ লাভ। এই অবস্থাকে বলা হয় রাগমোচন or অর্গাজম। পুরুষের ক্ষেত্রে বীর্যপাতের মাধ্যমে রাগমোচন তথা চরমানন্দ লাভ হয়।
পুরুষের অর্গাজম
পুরুষের রাগমোচন or অর্গাজম হওয়া মানে হল বীর্যপাত হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে বীর্যপাতের মাধ্যমে রাগমোচন তথা চরমানন্দ লাভ হয়। সে অবস্থাকেই অর্গাসম হওয়া বলে ।
মেয়েদের অর্গাজম
মেয়েদের ক্ষেত্রে বিষয়টা সম্পূর্ণ আলাদা মেয়েরা তাদের যৌনতা উপভোগ করে সম্পূর্ণ মেন্টালেটি দিয়ে। তাদের ছেলেদের মত বীর্যপাত হয়না। বীর্যপাতের ন্যায় বিশেষ ক্ষরণ বা নিঃসরণ হয় না।
নারীর যৌন স্বাভাবিক আকারে 9 cm  প্রায় 3.5 ইঞ্চি। তবে এটি বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হয় যেমন যৌনমিলনের সময় , সন্তান জন্মের সময় এমনকি হস্তমৈথুনের বা স্বমেহনের সময়।নারীর যৌনাঙ্গের সাথে সম্পর্কযুক্ত একই মাত্রার অঙ্গ হলো সারবিঙ । নারীর যৌনাঙ্গে অথ্যাৎ যোনিতে প্রায় ত্রিশ রকমের কৌশিক কলা রয়েছে । এগুলো গভীর and যৌনমিলনের সময় লিঙ্গের চাপ এটি সহ্য করে নিতে পারে । নারীর যৌনাঙ্গ থেকে সাধারণত ল্যাকটিক এসিড নি:স্বরিত হয়। একে যৌনরস বা মিউকাস বলা হয় । এটি যৌন উদ্দিপক এক প্রকার তরল ।
 অর্গাজম

নারীর যৌন উত্তেজনার চূড়ান্ত পর্যায়ে এই তরল নারীর যৌনাঙ্গ বেয়ে বাইরে চলে আসতে পারে। নারীর অপরাপর আভ্যন্তরীণ যৌনাঙ্গগুলো হলো , জরায়ু , পেলভিস, ওভারি ইত্যাদি। জরায়ু বা ইউটেরাস নারীর যৌন জীবনের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় । একই সাথে এটি গুরুত্বপূর্ণ ও বটে । নারীর যৌন জীবনের ততোথিক গুরুত্বপূর্ণ যৌনাঙ্গ হলো ওভারি বা ডিম্বাসয় । যৌনমিলনের পরে পুরুষের লিঙ্গ নিঃসৃত বীর্য নারীর ওভারিতে ডিম্বাশয়ে জমা হয় and তার পরে এটি ফ্যালোপিয়ান টিউব বেয়ে উপরিস্থিতি অংশ হলো ওভিডাক্ট। এটি ফ্যালোপিয়ান টিউবের সাথে সম্পর্কযুক্ত একটি অঙ্গ । মোটা মুটি এই হচ্ছে নারীর অভ্যন্তরীণ যৌনাঙ্গ । যার দ্বারা নারীর যৌন জীবন পূর্ণাঙ্গ হয়।

নারীকে উত্তেজিত করার চারটি সুত্র

BD Health Tips
BD Health Tips
  1. সিঙার: বেশির ভাগ women মিলনপুর্ব সিঙারে সরাসরি যৌন মিলনের ছেয়ে বেশি তৃপ্তি পেয়ে থাকে। তাই ফোর-প্লে তে অধিক সময় নিন।
  2. কল্পনা - ফ্যান্টাসী: শাররীক মিলনকালে অথবা অন্য সময় যৌনতা নিয়ে কল্পনা করা মোটেও ভুল নয়। সঙ্গীর উত্তেজক কর্মকান্ডের সাথে আপনার কল্পনা মিশিয়ে ek সুখকর আবেশে জড়াতে পারেন। কল্পনার রাজ্যে সব পুরুষ রাজা আর তার সঙ্গী রাণীর আসনে থাকে।
  3. সরাসরি মিলনে দেরী করা: women, বিশেষ করে তরুনীরা সাধারনত বেশি বেশি চুমা, ছোয়া সহ অন্যান্য আনুষাঙ্গিক যৌন উত্তেজক বিষয় একটু বয়স্কদের চেয়ে বেশি কামনা করে। বয়সবেধে চরম উত্তেজনায় পৌছতে কম-বেশি সময় নিয়ে থাকে। আপনার সঙ্গীর আকাঙ্খার উপর ভিত্তি করে পেনিট্রেশানের আগে আরো কিছু সুখ আদান প্রদান করুন।
  4. ভাইব্রেটর: আমাদের দেশে এখনো sex টয় বিক্রি and use নিষিদ্ধ। তাই womenকে উত্তেজিত করার জন্য ভাইব্রেটর এর বিকল্প আপনার মধ্যমা আঙুলী দিয়ে তার যোনীর ভিতর জি-স্পট (যৌনাঙ্গের কিছুটা ভিতরে অতি সংবেদনশীল অঞ্চল) এ কম্পন সৃষ্টি করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন কোন অভ্যাস যেন স্থায়ী না হয়ে যায়?

পিরিয়ডের সময় জীবন যাপনের যে সমস্যা ও তার সমাধান

BD Health Tips
BD Health Tips

দেহের ভেতরে ঘটে যাওয়া আর পাঁচটা ঘটনা যেমন খাবার হজম হওয়া, নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস, রক্ত সঞ্চালনের মতোই নারীদের পিরিয়ড হওয়া একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু বেশির ভাগ মেয়েই পরোক্ষভাবে এখনো পিরিয়ডের দিনগুলোতে ‘শরীর খারাপ’ হয়েছে বলে মনে করেন। শুধু মনে করা নয়, মুখেও পিরিয়ডকে শরীর খারাপ বলে ডাকেন। মোটামুটিভাবে পিরিয়ডের সময় গড়ে 35 মিলিলিটার রক্তপাত হয়। এই সময়ে যদি কোনো নির্দিষ্ট শারীরিক সমস্যা ছাড়া ক্র্যাম্প বা ব্যথা হতেই থাকে তাহলে কিন্তু শারীরিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।
সুস্থতার নিশ্চয়তা রাখতে হলে প্রথমেই নজর দিতে হবে সঠিক খাবারদাবারের প্রতি। আর তারপরেই আসবে ব্যায়ামের পালা। ব্যায়াম মানে কিন্তু শুধু সিঁড়ি দিয়ে ওঠা বা রাস্তায় ১০-১৫ মিনিট হাঁটা নয়।
কোনো অভিজ্ঞ জিম বা যোগাসন ইনস্ট্রাকটরের তত্ত্বাবধানে দেহের বাড়তি ওজন ঝরিয়ে ফেলা and তা বজায় রাখাই কিন্তু ‘হ্যাপি পিরিয়ড’ ডেকে আনতে পারে। খাবারের কথাই যদি বলতে হয় তাহলে প্রথমেই মিষ্টি, চা, কফি, কোলা জাতীয় ড্রিংক যতটা সম্ভব কম খান। একেবারেই না খেলে আরো ভালো। পানি পান করুন বেশি করে। এছাড়া ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্টের দিকেও নজর দিন। মেনস্ট্রুয়াল ক্র্যাম্পস বা পিরিয়ডের ব্যথা এড়ানোর জন্য মিল প্ল্যানিংয়ের সাহায্য নিন। খুব একটা সময় লাগবে না। শুধু কাল কী খাবেন সেটা আজই পরিকল্পনা করে রাখুন। ডায়েট ফুডের পরিবর্তে সাধারণ স্বাস্থ্যকর খাবারের উপরেই জোর দিন। তবে রান্নার উপকরণ যত তাজা হবে ততই ভালো। তাজা ফল বা সবজি যতটা পারেন খান। এতে ওজনও কমবে, শরীর তার প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পাবে। পিরিয়ডের আগের সপ্তাহ or পিএমএস শুরু হবার আগে থেকেই ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট ডবল করে দিন। পিরিয়ডের সময় ব্যায়ামের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। ভারী ব্যায়ামের পরিবতেঅ যোগাসন করুন। প্রয়োজনে ট্রেনারের কাছে জিজ্ঞেস করে নিন পিরিয়ডের সময় কোন আসন আপনার তলপেটের ব্যথা কমিয়ে রিল্যাক্স করতে সাহায্য করবে।
খাবারের টিপস :
  • খাদ্যতালিকা থেকে জরুরি ফ্যাট যেমন বাদাম, পনির, ঘি পুরোপুরি কখনোই বাদ দেবেন না। এই খাবারগুলো শরীরে পুষ্টি যোগায় and অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট কমাতেও সাহায্য করে।
  • তাজা ফল আর সবজি যেন প্রতিবেলার খাবারেই থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। ফল না কেটে গোটা খাওয়ার চেষ্টা করুন।
  • বেশিক্ষণ খালি পেটে থাকবেন না। ঘুমাতে যাবার সময় রোজ রোজ পাল্টাবেন না। চেষ্টা করুন একই সময়ে শুতে যেতে। বেশি রাত করে খাবেন না। এতে হজমে গোলযোগ হতে পারে।
  • ব্যায়ামকে কখনো হালকাভাবে নেবেন না। সব সময় দিনে 15-20 মিনিট ব্যায়াম আপনার দেহের জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। ট্রেনারের সাথে কথা বলে সময় ঠিক করে নিন। ফিটনেস লেভেল ঠিক থাকলে ব্যথা থেকেও রেহাই পাবেন।