Showing posts with label Health-Question-solution. Show all posts
Showing posts with label Health-Question-solution. Show all posts

Friday, May 6, 2016

অধিক সময় ধরে সহ বাস করার জনপ্রিয় তিনটি পদ্ধতি

BD Health Tips
BD Health Tips

এক নারী - একপুরুষের সাথে বার বার সহ বাস করলে সহ বাস কালে বেশি সময় দেয়া যায় এবং সহ বাসে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন নিয়মিত মিলনে একে অপরের শরীর এবং ভাললাগা-মন্দলাগা, পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে জানে।

সহ বাসে অধিক সময় দেয়ার পদ্ধতি সমুহ :

  • পদ্ধতি 1- চেপে-টিপে (স্কুইজ) ধরা: এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যাক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়। যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র-বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা-মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন। (লিঙ্গের পাশ থেকে two আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে হবে।)। চাপ ছেড়ে দেবার পর 30-35 সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন। এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু 45 সেকেন্ড পর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে। স্কুইজ পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।
  • পদ্ধতি 2:- বিরাম (টিজিং -পজ এন্ড প্লে): এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃৎ। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলনকালে বীর্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন or ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যৎ সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন বীর্যের চাপ কমে গেছে তখন পুনরায় start করতে পারেন। বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর। প্রথমদিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুনাগুন জানেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস or প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই first time ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।

  • পদ্ধতি 3:- সংকোচন (টেনসিং): এ পদ্ধতি সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল এখনে আমরা খিচুনী প্রয়োগ করবো – চাপ নয়। এবার মুল বর্ননা – মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে 2-1 বার করার পর যখন দেখবেন  আপনার চাপ-অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার কাজ শুরু করুন। সংকোচন পদ্ধতি আপনার সহ বাস দীর্ঘায়িত করবে। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই first time ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।


পরিশিষ্ট:  উপরের সবকয়টি পদ্ধতি আপনার সঙ্গীর তৃপ্তির উদ্দেশ্যে। অনেকের ধারনা নারী এ ট্রিকস্ গুলো অনুমান or জানতে পারলে পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। ধারনাটি সম্পুর্ন ভুল। আপনি আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে। কারন সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে সে লাভবান হওয়া।


ধূমপান ছাড়তে চান চিরকালের জন্য? চর্চা করুন 5টি সহজ অভ্যাস

BD Health Tips
BD Health Tips

অনেকেরই ইচ্ছে করে কিংবা নিজের প্রিয় মানুষটির কারণে Dhumpaner বাজে অভ্যাসটিকে ছাড়ার উদ্যোগ নিয়ে থাকেন। কিন্তু দেহের কিছু প্রতিক্রিয়া and মনের জোর না থাকার দরুন অনেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেকে বিরত রাখতে পারেন না ধূমপান থেকে।
মাঝে মাঝে এমন সময় এসে উপস্থিত হয় যখন ধূমপান না করা পর্যন্ত স্বস্তি পান না অনেকে। আর এভাবেই ছাড়ি ছাড়ি করেই এই বদ অভ্যাসটি ছাড়া হয় না। আপনাদের এই মহৎ উদ্যোগকে সফল করতে আমাদের আজকের ফিচার। দেখে নিন খুব সহজে মাত্র 5 মিনিটের অভ্যাস রপ্ত করে কিভাবে এই বদঅভ্যাস থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
হাঁটাহাঁটি করতে চলে যান:
যখনই Dhumpaner ইচ্ছে মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে তখন হাঁটতে চলে যান বাইরে। 5-10 মিনিট হেঁটে আসুন। হাঁটা শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করে। এবং শারীরিক পরিশ্রম অনেকাংশে Dhumpaner ইচ্ছে কমিয়ে দেয়।

মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে ফেলুন:
Dhumpaner ইচ্ছা মনের ভেতর চাগিয়ে উঠলে দ্রুত মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করুন। নিজের পছন্দের কিছু করুন, বই পড়া, ছবি আঁকা, গান শোনা কিংবা একটু নেচে নেয়া ইত্যাদি। চাইলে একটু যোগ ব্যায়াম করে নিতে পারেন। এতে মনোযোগ সরে যাবে সেই সাথে Dhumpaner ইচ্ছেটাও।

পানি পান করুন:
যখনই Dhumpaner ইচ্ছে জাগবে তখনই ২ গ্লাস পানি পান করে ফেলবেন এক নিঃশ্বাসে। এতে করে আপনার দেহে যে ধরণের প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছিল ধূমপান না করার কারণে তা নষ্ট হবে। আপনার Dhumpaner ইচ্ছেও চলে যাবে।
যে কারণে ধূমপান ত্যাগ করতে চান সেই কারণটি মনে করুন:
খুব বেশি মাত্রায় Dhumpaner ইচ্ছে হলে মনে করুন কি কারণে আপনি ধূমপান ছাড়তে চাইছেন। কোনো পছন্দের মানুষের কারণে বা নিজের বাবা মায়ের কারণে অথবা নিজের সুস্বাস্থ্যের কথা ভেবে। যে কারনেই হোক সেটি মনে করুন এতে মনের জোর পাবেন।

চিনি সমৃদ্ধ কিছু খান:
যখন দেহের রক্তে চিনির মাত্রা কমে যায় তখনই Dhumpaner ইচ্ছেটা বেশ ভালো করে চাগিয়ে উঠে। তাই Dhumpaner ইচ্ছে হলেই চিনি সমৃদ্ধ কিছু খেয়ে ফেলুন। এতে Dhumpaner ইচ্ছে মরে যাবে।

বন্ধুর সাথে কথা বলুন:

যখনই ইচ্ছে হবে একটু ধূমপান করার তখনই সাত পাঁচ না ভেবে বন্ধুকে ফোন দিন। কথা বলুন বন্ধুর সাথে। 5 মিনিট কথা বলুন। দেখবেন বন্ধুর সাথে কথা বলার চলে ভুলেই গিয়েছেন ধূমপান করার কথা। এবং 5 মিন্ত পরে আবিষ্কার করবেন Dhumpaner যে ইচ্ছেটা জেগে উঠেছিল তা মনে গিয়েছে।

সর্দি-কাশির সমস্যা দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে

Health24
Health24

ঋতু পরিবর্তন হলেই বেশিরভাগ মানুষেরই সর্দি-কাশির problem হয়। বিশেষ করে যাদের রয়েছে ঠাণ্ডা অ্যালার্জির problem, তারা বিপদে পড়েন সবচেয়ে বেশি। সর্দির কারণে নানা ধরনের problem হতে পারে। এই সময় অনেকে জ্বরে ভোগে থাকেন। এছাড়া ঠান্ডজনিত নানা অসুখ তো রয়েছেই। যেমন- মাথাব্যথা, বুকে ব্যথা, বুকে কফ জমে যাওয়া, কাশি, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি। এসব এখন নিত্ত নৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব problem হলে ওষুধপত্র আর কতই খাবেন তার চেয়ে নিতে পারেন কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা। এসব ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই আপনি এসব problem থেকে মুক্তি পেতে পারেন। জেনে নিন, এখনই সেইসব উপায়। সরিষার তেল সর্দি-কাশিতে খুবই উপকারী। একটি স্টিলের পাত্রে 2-3 টেবিল চামচ সরিষার তেল নিন। কয়েক কোয়া রসুন থেঁতো করে তেলে মধ্যে দিন। এবার তেল গরম করুন। তেল ফুটে উঠলে নামিয়ে ফেলুন। এই তেল গরমঅবস্থায় গলায়, বুকে and পিঠে মালিশ করুন।

এতে কাশি, বুকের কফ, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি দ্রুত উপশম হবে। মাথাব্যথা সারাতে এই তেল মাথার তালুতে ঘষে ঘষে লাগান। ঠান্ডার problem কাটাতে এই তেল খেতেও পারেন।

Saturday, April 30, 2016

অতিরিক্ত চুল পড়ছে, জেনে নিন কি কি কারণে চুল পড়ে?

অবসাদ, ক্লান্তি, ভুল ডায়েটসহ বিভিন্ন কারণে খুব কম বয়সেই চুল পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন গড়ে মানুষের একশোটির মতো চুল পড়ার কথা বলে থাকেন। কিন্তু এর চেয়ে বেশি পড়লে সেটি চিন্তার কারণ হতে পারে।

অতিরিক্ত চুল পড় লক্ষণ দেখা দিলে আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে। শুরু থেকেই যত্ন না নিলে কিন্তু মাথায় টাক পড়তে বেশি সময় লাগবে না। সঠিক কারণগুলি জানা থাকলে তবেই আপনি চুল পড়ার সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন। এবার জেনে নেয়া যাক, কি কি কারণে আপনি চুল পড়া সমস্যায় ভুগতে পারেন।

BD Health Tips
BD Health Tips


অতিরিক্ত চুল পড়ছে, জেনে নিন কি কি কারণে চুল পড়ে?

* ক্লান্তি ধীরে ধীরে আমাদের শরীরের নানা ক্ষতি করে। চুল পড়াতেও অনুঘটক হিসাবে কাজ করে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি।

* মাতৃত্বের কারণে অনেক নারীরই চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন। যদিও বেশিরভাগ মায়েদের ক্ষেত্রেই সন্তান জন্মের তিনমাস পর মাথায় ফের চুল গজায়। তবে কারো কারো সমস্যা হলে চিকিত্সকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

* শরীরে ভিটামিন এ-র অভাব হলে তা মাথার চুল ঝরতে শুরু করে।

* প্রোটিন শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। শরীরে প্রোটিনের অভাব হলেই চুল পড়ার সমস্যা হয়।

* অনেকে বংশগতভাবে চুল পড়ার শিকার হন। তবে তেমন শতাংশে অনেক কম।

* হরমোনের কারণে অনেকের হরমোনজনিত কারণে কমবয়সে চুল পড়ে যায়।

* শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা হয়। চুল পড়া ছাড়াও চামড়া খসখসে হওয়া, উজ্জ্বলতা হারানো, দুর্বলতা, মাথাধরা ইত্যাদি সমস্যা হয়।

* থাইরয়েডের সমস্যা হলে চুল পড়ার পাশাপাশি মাংসপেশিতে টান, শরীরের ওজন বেড়ে যায়।

* ভিটামিন বি-র অভাবেও চুল পড়তে পারে। শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি কমাতে ডিম, শাক-সবজি ও মাছ খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।

* বেশিমাত্রায় শরীরচর্চা ও ডায়েট কন্ট্রোল করাও চুল পড়ায় ইন্ধন যোগায়।

* মেডিকেসন চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া অভ্যাস করলে, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় চুল পড়ে যায়।

Friday, April 29, 2016

Diabetes Control কেন এবং কিভাবে করবেন?

বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বে Diabetes এক মহামারী রোগ। কয়েক দশক আগেও এটি ছির খুব স্বল্প পরিচিত রোগ। অথচ বর্তমানে শুধু উন্নত বিশ্বেই নয়, বরং উন্নয়নশলি এবং অনুন্নত বিশ্বেও অসংক্রমক ব্যাধির মধ্যে Diabetes অন্যতম স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু শহরাঞ্চলে নয়, গ্রামীণ জনপদে এমনকি শিশুদের মধ্যেও ডায়াবেটিস বিস্তার লাভ করেছে।
BD Health Tips
BD Health Tips

Diabetes Control কেন এবং কিভাবে করবেন?
এর ফলে সমাজ হারাচ্ছে কর্মক্ষম ও সম্ভাবনাময় এক তরুণ যুবা প্রজন্মকে, যার সামাজিক ও অর্থনৈতিক মন্দ প্রভাব গোটা জাতিকে স্থবির করে দিচ্ছে। বেড়ে যাচ্ছে অন্ধত্ব, স্নায়ুরোগ, কিডনি ও হূদযন্ত্র বিকল হওয়া, পায়ে আলসার এবং পরিনামে পা কেটে ফেলতে বাধ্য হওয়ার মতো ভয়াবহ জটিলতাগুলো। অসংখ্য মানুষ নিজেদের কর্মক্ষমতা হারিয়ে, পরিবারের ও সমাজের ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।


Diabetes কি এবং কেন –
শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের নাম ইনসুলিন (Insulin) । অগ্ন্যাশয় (Pancreas) থেকে নি:সৃত এই হরমোন শরীরের কোষে গ্লুকোজ (Glucose)প্রবিষ্ট করতে এবং সেই গ্লুকোজকে ‘গ্লাইকোলাইসিস’ নামক বিপাকীয় ক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের জন্য শক্তি উত্পাদন করতে সহায়তা করে। আবার অতিরিক্ত গ্লুকোজকে লিভারে গ্লাইকোজেন হিসেবে সঞ্চয় করে। ফলে রক্তের গ্লুকোজ এটি স্বাভাবিক মাত্রায় থাকে। এই হরমোন অগ্ন্যাশয় থেকে পর্যাপ্ত নি:সৃত না হলে, ঘাটতি হলে বা উত্পাদিত ইনসুলিন কোষে কার্যকর না হলে বা শরীরের ইনসুলিন নিষ্ক্রিয় থাকলে, রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পায় এবং প্রস্রাবের (Urine) সাথে গ্লুকোজ বের হয়ে যায়। এটিই হচ্ছে ডায়াবেটিস মেলাইটাস (DM – Diabetes Mellitus) বা বহুমূত্র রোগ। অনেকেই এক সময় ডায়াবেটিসের গ্লুকোজ সমৃদ্ধ প্রস্রাবকে “মধুমূত্র” নামে আখ্যায়িত করতেন। নামের সাথে মধুর সংশ্রব থাকলেও আসলে ইহার যে মধুময় নয়, তা ভূক্তভোগী মাত্রই জানেন।


ডায়াবেটিস সাধারণত: দুই রকম।

Type 1 Diabetes টাইপ-১ বা ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিস, যা মুলত: কম বয়সে হয়ে থাকে। তাতে অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন তৈরি করার ক্ষমতা হারায় এবং এসব রোগীদের ইনসুলিন অপরিহার্য।
Type 2 Diabetes আরেকটি হচ্ছে টাইপ-২ বা ইনসুলিন অনির্ভর ডায়াবেটিস।

বিশ্বেজুড়ে ৮০ শতাংশ হলো টাইপ-২ ডায়াবেটিস, যা বয়স্কদের হয়ে থাকে। স্থূলতা বা ওজন বৃদ্ধি, মন্দ খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, মানসিক চাপ, ধুমপান ইত্যাদি টাইপ-২ ডায়াবেটিসের অন্যতম কারণ। বর্তমানে একই সঙ্গে বাড়ছে নারীদের গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বা জিডিএম এর প্রবণতা।

ডায়াবেটিসের কারণ –
টাইপ-১ জন্মগত কিংবা পরিবেশগত কারণে এই ডায়াবেটিসের প্রকোপ দেখা যায়। বছরে তিন শতাংশ এই ডায়াবেটিস বাড়ছে এবং সাধারণত তরুণরাই এতে আক্রান্ত হচ্ছে।

টাইপ-২ অতিরিক্ত ওজন, মেদবাহুল্য, কায়িক পরিশ্রমরে অভাব, উচ্চ শর্করা এবং কম আঁশযুক্ত খাদ্যাভ্যাস তাকলে এই ডাযাবেটিরেস ঝুঁকি বেড়ে যায়। বংশগত কারণেও এই ধরণের ডায়অবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। বাবা মা কারও এক জনের ডায়াবেটিস থাকলে ঝুঁকি বাড়ে, আর দুজনেরই থালে ডায়াবেটিসের আশঙ্কা অনেক গুণ বেড়ে যায়।

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস – (Pregnancy Diabetes)

BD Health Tips
BD Health Tips


অনেক সময় শুধ গর্ভকালেই ডায়াবেটিসের উদ্ভব ঘটে। মেডিকেল সাইন্সের পরিভাষায় একে জিডিএম বলে। এটি মা এবং শিশুর অসংখ্য জটিলতার কারণ হতে পারে। সঠিক কারণ জানা না গেলেও পরিবারে ডায়াবেটিস থাকলে গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের লিঙ্গ দাঁড়িয়ে থাকে কেন?

সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের লিঙ্গ প্রায় দাঁড়িয়ে থাকে। সম্প্রতি এর কারণ বিশ্লেষণ করেছেন গবেষকরা। পুরুষেরা ভোরে যৌনতায় আগ্রহী হলেও নারী এ সময় যৌনতায় সেভাবে আগ্রহী থাকে না। এর মূল কারণ টেস্টোস্টেরন হরমোন বলে মনে করছেন তারা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া ।

BD Health Tips
BD Health Tips

সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের লিঙ্গ দাঁড়িয়ে যাওয়ার কারন ঃ
রাতে যখন নারী ভালোবাসার পরিপূর্ণ স্বাদ নিতে চান তখন পুরুষ ঘুমে ঢুলতে থাকে। গবেষকরা জানিয়েছেন, এর কারণ হলো নারী ও পুরুষের হরমোনের পার্থক্য। আর এ পার্থক্যের কারণেই উভয়ের দেহঘড়ি একত্রে চলে না। গবেষকরা এক্ষেত্রে কয়েকটি সময়ের বর্ণনা করেছেন, যে সময়ে নারী-পুরুষের হরমোনের পার্থক্য লক্ষ্যণীয় সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের লিঙ্গ দাঁড়িয়ে থাকে ভোর ৫টায় পুরুষের টেস্টোস্টেরন (Testosterone) হরমোন সর্বাধিক থাকে। দিনের অন্য সময়ের তুলনায় এ মাত্রা ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। এ সময় নারীও টেস্টোস্টেরন হরমোন উৎপাদন করে। তবে তা অতি সামান্য মাত্রায়।

দেখে আসতে পারেন ঘরে বসে পুরুষাঙ্গ বড় করার প্রাকৃতিক উপায়

সকাল ৬টায় পুরুষের টেস্টোস্টেরন Testosterone হরমোনের মাত্রা কমে না। ঘুম যত লম্বা হয় হরমোনটির প্রভাবও তত বেশি হয়। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (American Medical Association) জানিয়েছে, পাঁচ ঘণ্টার বেশি ঘুম পুরুষের হরমোনটির মাত্রা ১৫ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়।
BD Health Tips

সকাল সাতটায় যদি কোনো পুরুষ ঘুম থেকে উঠে তখন তার দেহে যতখানি টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা থাকে সর্বাধিক। কিন্তু একজন নারীর সে সময় সবচেয়ে কম থাকে। অন্যদিকে দিন শেষে পুরুষের এ হরমোনটির মাত্রা সবচেয়ে কমে যায় আর নারীর সবচেয়ে বেশি থাকে। আর এ কারণেই সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের লিঙ্গ দাঁড়িয়ে থাকে।