Showing posts with label স্বাস্থ্য-পরিচর্যা. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য-পরিচর্যা. Show all posts

Friday, May 6, 2016

হাঁপানির সমস্যায় কী খাবেন আর কী খাবেন না

BD Health Tips
BD Health Tips

হাঁপানি or অ্যাজমা হচ্ছে শ্বাসনালীর প্রদাহজনিত রোগ। হাঁপানি হলে সাধাণরত কাশি, কফ and শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। সাধাণরত ছোট বেলাতেই বোঝা যায় অ্যাজমা আছে কিনা। তবে অনেক time বড় হয়েও ধরা পরে। আমাদের দেশে প্রচুর হাঁপানি রোগী আছে and প্রতি বছর অনেক রোগী শ্বাস কষ্টে মারা যায়। খাবারের এলার্জির কারণে হাঁপানির প্রকোপ বাড়তে পারে। তাই হাঁপানি রোগীদের একটু সাবধানে খাওয়া দাওয়া করতে হয়। আসুন জেনে নেয়া যান হাঁপানি রোগীদের কি খাওয়া উচিত and কি খাওয়া অনুচিত।

যে খাবার গুলো খাওয়া প্রয়োজন


ওমেগা-3ফ্যাটি এসিড যুক্ত খাবার : বিভিন্ন রকমের সামুদ্রিক মাছ যেমন স্যামন, টুনাতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-3 ফ্যাটি এসিড আছে। এছাড়াও কিছু উদ্ভিদেও ওমেগা-3 ফ্যাটি এসিডের উপস্থিতি পাওয়া যায়। ওমেগা-3 ফ্যাটি এসিড হাঁপানির প্রকোপ কমাতে সহয়তা করে।

শাক-সবজি : প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে green শাক-সবজি রাখুন খাবার তালিকায়। সবজিতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট or প্রচুর ভিটামিন যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় and হাঁপানির ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

ফল : প্রতিদিন খাবার তালিকায় প্রচুর পরিমাণে ফল রাখলে হাঁপানির ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা হাঁপানির প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে। ফলের মধ্যে আপেল, কমলা, কলা ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলগুলো হাঁপানির ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

যে খাবার গুলো খাওয়া যাবেনা

শুধু বিশেষ খাবার খাওয়া নয়, হাঁপানির প্রকোপ থেকে বাঁচতে এড়িয়ে চলতে হবে কিছু বিশেষ খাবারও। আসুন জেনে নেই সেগুলো সম্পর্কে।

ট্রান্স ফ্যাট and ওমেগা-6 ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবারঃ মার্জারিন and আরো কিছু প্রক্রিয়াজাত খাবারে ট্রান্স ফ্যাট and ওমেগা-6 ফ্যাটি এসিড পাওয়া গেছে। ট্রান্স ফ্যাট and ওমেগা-6 ফ্যাটি এসিড হাঁপানির সমস্যা বাড়ায় and হার্টের বিভিন্ন জটিল সমস্যার সৃষ্টি করে।

অ্যালার্জিযুক্ত খাবার : বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন খাবারে অ্যালার্জি আছে। খাবারে অ্যালার্জির ধরণটা সবার জন্য এক রকম নয়। ডিম, চিংড়িমাছ and গরুর মাংসে অনেকেরই অ্যালার্জি থাকে। তাছাড়াও ইলিশ মাছ, বেগুন, মিষ্টি কুমড়া,কাজু বাদাম, চীনা বাদাম, সরিষা,চকোলেট, গুড়, মধু, দুধ and দুধ থেকে তৈরি খাবার ইত্যাদি অ্যালার্জি থাকে কারো কারো। যার যেই খাবারে অ্যালার্জি থাকে তার সেটা এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ হাঁপানি রোগির জন্য অ্যালার্জিযুক্ত খাবার বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত খাবারঃ প্রতিদিন যদি শরীরের চাহিদার চাইতে বেশি ক্যালোরি গ্রহণ করা হয় and তা খরচ করা না হয় তাহলে শরীর মেদবহুল হয়ে যায়। স্বাভাবিক ওজনের ব্যক্তিদের তুলনায় স্থূলকায় ব্যক্তিদের হাঁপানির ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই প্রতিদিন শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ক্যালরী গ্রহণ করা উচিত নয়।


প্রিজারভেটিভযুক্ত খাবার : খাবারকে দীর্ঘদিন ভালো রাখার জন্য বিভিন্ন রকমের প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়। বেশিরভাগ খাবারেই প্রিজারভেটিভ হিসেবে সালফাইট ব্যবহৃত হয়। সালফাইট হাঁপানি রোগির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সালফাইট থেকে সালফাইট ডাই অক্সাইড তৈরি হয় যা ফুসফুসে চুলকানীর উদ্রেক করে। বিভিন্ন টিনের খাবার, কৃত্রিম ভাবে শুকানো ফল and ওয়াইনে প্রচুর পরিমাণে সালফাইট থাকে যা হাঁপানির ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

অনিদ্রা দূর করার 17টি কার্যকর উপায় যেনে নিন

BD Health Tips
BD Health Tips

অনিদ্রা আমাদের অনেকেরই হয়। হয়তো প্রথম দিকে সারারাত প্রিয়জনের সাথে ফোনে কথা বলা, রাত জেগে পড়াশোনা করা, গেমস খেলা or প্রয়োজনীয় অন্য কোন কাজে একটা বিশাল সময় জুড়ে রাতে ঘুমানো হতো না। তার বদলে সকালে বেশ বেলা করে ঘুমানো। But একটা সময় আবিস্কার করলেন যে আপনি চাইলেও আর রাতে ঘুমাতে পারছেন না!
ফলে চোখের নিচে কালি, দিনভর ক্লান্তি আর বাধ্য হতে রাত জেগে থাকা। আপনার রাত জাগার অভ্যাসটি but এভাবেই পরিণত হতে পারে একটি রোগে। যার নাম ইনসমনিয়া। তবে একটু চেষ্টা করলে আপনি মুক্তি পেতে পারেন এ থেকে।

আপনাদের জন্য রইলো কিছু কাজের টিপসঃ

1. ঘুমানোর আগে ব্যায়ামঃ
ঘুমাতে যাবার আগে হাল্কা দুই একটি ব্যায়াম করতে পারেন। এটা আপনার শরীরকে ক্লান্ত করবে। And পরিশ্রমের ফলে আপনার শরীরে প্রয়োজন হবে বিশ্রামের। তাই ঘুমানোটা সহজ হবে।
2. গরম দুধঃ
রাতে ঘুমাবার আগে এক গ্লাস গরম দুধ খেয়ে নিন। এটি আপনার শরীরকে রিলাক্স করবে and ঘুমাতে সহায়তা করবে।
3. দুশ্চিন্তা নয়ঃ
ঘুমাবার time রাজ্যের দুশ্চিন্তা নিয়ে ঘুমাতে যাবেন না। ব্যাপারটা সহজ নয়। তবু নিজেকে বলুন যে আপনি আগামীকাল ঘুম থেকে উঠে বিষয়গুলো নিয়ে ভাববেন। ঘুমাবার সময় ভালো কিছু, ইতিবাচক কিছু নিয়ে চিন্তা ভাবনা করুন। নয়তো আপনার মস্তিস্ক উত্তেজিত থাকবে বলে আপনি ঘুমোতে পারবেন না।

4. উষ্ণ পানিতে গোসলঃ
খুব ভালো হয় ঘুমাতে যাবার befor উষ্ণ পানিতে গোসল করে নিতে পারলে। গোসলের পানিতে দিতে পারেন খানিকটা লেবুর রস অথবা গোলাপজল। অনেক স্নিগ্ধ লাগবে।
5. ভোরে ঘুম থেকে ওঠাঃ
যারা ইনসমনিয়ায় ভোগেন, তারা সাধারনত সারা রাত ঘুমাতে পারেন না বলে সকালে অনেক দেরী করে ওঠেন। কখনো উঠতে উঠতে দুপুরও হয়ে যায়। তাই চেষ্টা করুন সকাল সকাল ওঠার। and উঠে আর না ঘুমাবার। সকালে উঠেই বাসা থেকে বেরিয়ে হাঁটতে যেতে পারেন। ঘুম কেটে যাবে। কয়েকটা দিন কষ্ট হবে, কিন্তু আস্তে আস্তে মানিয়ে নিবে শরীর।
6. ধীরলয়ের সঙ্গীতঃ
ঘুমাবার আগে ধীরলয়ের গান শুনুন। এটা আপনার মনে প্রশান্তি আনবে আর ঘুমোতে help করবে।
7. ভালো কিছু ভাবুনঃ
ইতিবাচক কিছু ভাবুন। ভাবুন কোনো স্বপ্ন নিয়ে, ভাবুন প্রিয় মানুষ বা বন্ধুটিকে নিয়ে। গঠনমূলক আর ইতিবাচক ভাবনা আপনাকে ভালোভাবে আরামে ঘুমাতে helpকরবে।
8. ঘুমানোর নির্ধারিত সময়ঃ
একটা রুটিন মেনে চলুন। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে নিয়ম করে ঘুমাতে যান, নিয়ম করে উঠুন। কিছুদিন এটা করলে দেখবেন, আপনার শরীর এই new অভ্যাসের সাথে মানিয়ে নিয়েছে।
9. চা-কফি নয়ঃ
এ দুটো কিছুদিন off রাখুন। ক্যাফেইন আপনার ঘুমকে কমিয়ে দেবার জন্যে দায়ী। এর বদলে পান করুন প্রচুর ফলের রস।
10. আরামদায়ক বিছানাঃ
খেয়াল রাখুন আপনার বিছানাটা যাতে বেশী শক্ত, অতি নরম or উঁচু নিচু না হয়। বিছানা আরামদায়ক হলে ঘুম আসবে এমনিতেই।
11. বিছানা শুধু ঘুমাবার জন্যেইঃ
চেষ্টা করুন বিছানা কেবল ঘুমাবার কাজেই ব্যবহার করার। পড়াশোনা, অফিসের কাজ, নেট ব্রাউজিং or আড্ডাবাজি করুন টেবিলে or মেঝেতে। ঘুমাবার আগে যখন দেখবেন টান টান বিছানা, পরিস্কার চাদর, এটা আপনাকে ঘুমাতে উৎসাহ জোগাবে।
12. ঘরের ভালো আবহাওয়াঃ
ঘরের আবহাওয়ার দিকে খেয়াল রাখুন। যাতে পর্যাপ্ত আলো বাতাস খেলে। জানালার দিকে মুখ করে ঘুমান। যাতে সকালে sun এর আলোয় ঘুম ভেঙ্গে যায়।

13. ম্যাসাজ-স্পাঃ
কিছু দিন বডি ম্যাসাজ or স্পা নিতে পারেন। এটা আপনাকে রিলাক্স করবে, স্ট্রেস কমাবে।
14. ঘড়ির শব্দ নয়ঃ
দেয়াল or টেবিল ঘড়ির কাঁটা যদি খুব শব্দ করে তবে কিছুদিনের জন্যে রাতে সেটা বন্ধ করে রাখুন। ভালো ঘুম হবে।
15. অল্প সময়ের ঘুম নয়ঃ
ক্লাস, অফিস or বাইরে থেকে ফিরে দুপুরে, বিকেলে বা সন্ধ্যায় ন্যাপ নেয়া বা অল্প সময়ের ঘুম এর অভ্যাস থাকলে তা দয়া করে বাদ দিন। এটা অনিদ্রা রোগের জন্য ভয়ানক ভাবে দায়ী।
16. ঘুমাবার আগে টিভি-ফোন নয়ঃ
ঘুমাবার আগে টিভি, মুভি, ফোনে কথা বলা or অন্য এমন কিছু করতে যাবেন না যা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনি ঘুমাতে আগ্রহ পাবেন না।
17.  ঘুমাবার আগে হাঁটুনঃ
রাতে ঘুমাবার আগে কিছুক্ষণ হেঁটে আসতে পারেন। এতে ঘুম fine হবে।

উপরের টিপসগুলো অনুসরন করে সহজেই আপনি মুক্তি পেতে পারেন ইনসমনিয়ার কবল থেকে। তাতেও যদি কাজ না হয় তাহলে দেরী না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ঠিকমত ঘুমান and happy থাকুন!

অধিক সময় ধরে সহ বাস করার জনপ্রিয় তিনটি পদ্ধতি

BD Health Tips
BD Health Tips

এক নারী - একপুরুষের সাথে বার বার সহ বাস করলে সহ বাস কালে বেশি সময় দেয়া যায় এবং সহ বাসে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন নিয়মিত মিলনে একে অপরের শরীর এবং ভাললাগা-মন্দলাগা, পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে জানে।

সহ বাসে অধিক সময় দেয়ার পদ্ধতি সমুহ :

  • পদ্ধতি 1- চেপে-টিপে (স্কুইজ) ধরা: এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যাক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়। যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র-বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা-মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন। (লিঙ্গের পাশ থেকে two আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে হবে।)। চাপ ছেড়ে দেবার পর 30-35 সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন। এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু 45 সেকেন্ড পর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে। স্কুইজ পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।
  • পদ্ধতি 2:- বিরাম (টিজিং -পজ এন্ড প্লে): এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃৎ। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলনকালে বীর্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন or ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যৎ সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন বীর্যের চাপ কমে গেছে তখন পুনরায় start করতে পারেন। বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর। প্রথমদিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুনাগুন জানেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস or প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই first time ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।

  • পদ্ধতি 3:- সংকোচন (টেনসিং): এ পদ্ধতি সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল এখনে আমরা খিচুনী প্রয়োগ করবো – চাপ নয়। এবার মুল বর্ননা – মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে 2-1 বার করার পর যখন দেখবেন  আপনার চাপ-অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার কাজ শুরু করুন। সংকোচন পদ্ধতি আপনার সহ বাস দীর্ঘায়িত করবে। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই first time ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।


পরিশিষ্ট:  উপরের সবকয়টি পদ্ধতি আপনার সঙ্গীর তৃপ্তির উদ্দেশ্যে। অনেকের ধারনা নারী এ ট্রিকস্ গুলো অনুমান or জানতে পারলে পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। ধারনাটি সম্পুর্ন ভুল। আপনি আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে। কারন সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে সে লাভবান হওয়া।