![]() |
BD Health Tips |
এক নারী - একপুরুষের
সাথে বার বার সহ বাস করলে সহ বাস কালে বেশি
সময় দেয়া যায় এবং
সহ বাসে বেশি তৃপ্তি পাওয়া
যায়। কারন
নিয়মিত মিলনে একে অপরের
শরীর এবং ভাললাগা-মন্দলাগা,
পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার
পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে জানে।
সহ বাসে অধিক সময় দেয়ার পদ্ধতি সমুহ :
- পদ্ধতি 1- চেপে-টিপে (স্কুইজ) ধরা: এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যাক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়। যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র-বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা-মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন। (লিঙ্গের পাশ থেকে two আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে হবে।)। চাপ ছেড়ে দেবার পর 30-35 সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন। এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু 45 সেকেন্ড পর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে। স্কুইজ পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।
- পদ্ধতি 2:- বিরাম (টিজিং -পজ এন্ড প্লে): এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃৎ। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলনকালে বীর্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন or ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যৎ সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন বীর্যের চাপ কমে গেছে তখন পুনরায় start করতে পারেন। বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর। প্রথমদিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুনাগুন জানেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস or প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই first time ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।
- পদ্ধতি 3:- সংকোচন (টেনসিং): এ পদ্ধতি সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল এখনে আমরা খিচুনী প্রয়োগ করবো – চাপ নয়। এবার মুল বর্ননা – মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে 2-1 বার করার পর যখন দেখবেন আপনার চাপ-অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার কাজ শুরু করুন। সংকোচন পদ্ধতি আপনার সহ বাস দীর্ঘায়িত করবে। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই first time ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।
পরিশিষ্ট: উপরের
সবকয়টি পদ্ধতি আপনার সঙ্গীর তৃপ্তির উদ্দেশ্যে। অনেকের
ধারনা নারী এ ট্রিকস্
গুলো অনুমান or জানতে
পারলে পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। ধারনাটি
সম্পুর্ন ভুল। আপনি
আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন।
দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য
করছে। কারন
সে জানে আপনি বেশি
সময় নেয়া মানে সে
লাভবান হওয়া।
অধিক সময় ধরে সহ বাস করার জনপ্রিয় তিনটি পদ্ধতি
4/
5
Oleh
Balaram